বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ৬ জেলার চার হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ কুমিল্লা তিতাসে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ালেন সামাজিক সংগঠন ফ্রেন্ডস ক্লাব দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান আনন্দ উল্লাসে মুখরিত দেশ কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলায় রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় ২ সাংবাদিক গ্রেফতার। ক্ষমতা নিতে চায় নাই , সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু:… ড. কামাল কুমিল্লায় চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনে ১ দিনের সিপিআর প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান যে আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়ে ও প্রচারণা নেই এনসিপির আহবায়ক নাহিদের, ঝড়ে যাওয়ার দারপ্রান্তে গ্রামীণ ব্যাংকের ড, ইউনুসের সাথে যৌন নোবেল অংশীদারত্বের তাসলিমা এখন কোথায় কুমিল্লা -৬ আসনে মনোনয়ন মনিরুল হক চৌধুরী , আনন্দে মনিরুল হক সাক্কু কুষ্টিয়া জেলার, ভেড়ামারায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

ক্ষমতা নিতে চায় নাই , সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু:… ড. কামাল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৪ Time View

ক্ষমতার আমার প্রয়োজন নেই , সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড. কামাল হোসেন

ডেস্ক রিপোর্ট।।
:
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বসার চেয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সদ্য স্বাধীন দেশে তিনি চেয়েছিলেন সরকার পরিচালনার ভার সহকর্মীদের হাতে দিয়ে নিজে জনগণের সেবায় ও জনমত গঠনে কাজ করবেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইতিহাসের এই বিরল ঘটনাটি তুলে ধরেছেন সংবিধান প্রণেতা ও প্রবীণ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন।

ক্ষমতার প্রতি নির্লোভ দৃষ্টি: স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বঙ্গবন্ধু নিজেই সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

জনগণের নেতা: তিনি চেয়েছিলেন দাপ্তরিক ফাইলের বেড়াজালের বদলে গ্রাম-বাংলার সাধারণ মানুষের মাঝে থাকতে।

নেতৃত্বের অপরিহার্যতা: প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের স্বার্থে তাকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব গ্রহণ করতে রাজি করানো হয়।

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি, স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব দেন বঙ্গবন্ধু। ড. কামাল হোসেনের ভাষ্যমতে, বঙ্গবন্ধু তার সহকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “তোমরা গভর্মেন্ট চালাও, আর আমি মানুষের মধ্যে জনসমর্থন তোমাদের জন্য গড়তে থাকবো।” এই বক্তব্যে ক্ষমতার প্রতি বঙ্গবন্ধুর নির্লোভ মানসিকতা এবং জনগণের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার বিষয়টি ফুটে ওঠে। তিনি মনে করতেন, সচিবালয়ের ফাইলের চেয়ে জনগণের সান্নিধ্য তার জন্য অনেক বেশি জরুরি।

তবে সদ্য স্বাধীন ও যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধুর সরাসরি নেতৃত্ব ছিল অপরিহার্য। ড. কামাল হোসেন জানান, তারা তখন বঙ্গবন্ধুকে বুঝিয়েছিলেন যে, তিনি যদি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে না থাকেন, তবে প্রশাসনিক কাজ স্থবির হয়ে পড়বে। কারণ, রাষ্ট্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ফাইল শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর কাছেই যাবে, তিনি যেখানেই থাকুন না কেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জনের বিষয়টিও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুকেই বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, “আন্তর্জাতিকভাবে তারা তখনই আমাদের ওপর আস্থা রাখবে, যখন দেখবে সরকার প্রধান আপনি।”

শেষ পর্যন্ত দেশের স্বার্থ, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং সহকর্মীদের অনুরোধে বঙ্গবন্ধু সরকার পরিচালনার গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। ড. কামালের এই স্মৃতিচারণ প্রমাণ করে যে, বঙ্গবন্ধু কেবল একজন শাসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন মাটি ও মানুষের অকৃত্রিম নেতা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 dailysomoyarbangladesh.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin