রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষমতা নিতে চায় নাই , সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু:… ড. কামাল কুমিল্লায় চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনে ১ দিনের সিপিআর প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান যে আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়ে ও প্রচারণা নেই এনসিপির আহবায়ক নাহিদের, ঝড়ে যাওয়ার দারপ্রান্তে গ্রামীণ ব্যাংকের ড, ইউনুসের সাথে যৌন নোবেল অংশীদারত্বের তাসলিমা এখন কোথায় কুমিল্লা -৬ আসনে মনোনয়ন মনিরুল হক চৌধুরী , আনন্দে মনিরুল হক সাক্কু কুষ্টিয়া জেলার, ভেড়ামারায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত ‘শাপলা চেয়ে ফেলো‘শাপলার কলি’, অসন্তুষ্ট এনসিপি কুষ্টিয়ায় পদ্মানদীতে মিললো ক্ষত বিক্ষত যুবকের লাশ স্নাইপার রাইফেল, ৭.৬২ বুলেটের রহস্য কি? বের করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদ হারালেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল , সাখাওয়াত হোসেন কিন্তু কেন? প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস জীবনে কোন আন্দোলনে ছিলেন না

গ্রামীণ ব্যাংকের ড, ইউনুসের সাথে যৌন নোবেল অংশীদারত্বের তাসলিমা এখন কোথায়

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৩ Time View

নোবেলের যৌন অংশীদারত্বের মালিক কোথায় সেই তসলিমা বেগম? যৌথ নোবেলে যার অর্ধেক মালিকানা ছিলো। যে নোবেলে এখন ড. ইউনূসের একক রাজত্ব।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা:
নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০০৬—বিশ্বের খাতায় লেখা আছে এই পুরস্কারটি ছিল ‘যৌথ’। অর্ধেক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এবং বাকি অর্ধেক গ্রামীণ ব্যাংকের (যার মালিকানা দরিদ্র ঋণগ্রহীতা নারীদের)। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। অভিযোগ উঠেছে, অসলোর মঞ্চে ঋণগ্রহীতাদের প্রতিনিধি তাসলিমা বেগমকে পাশে রেখে যৌথ বিজয়ের ‘নাটক’ সাজানো হলেও, পরবর্তীতে চরম প্রতারণার মাধ্যমে ড. ইউনূস পুরো কৃতিত্ব ও ফায়দা একাই লুট করেছেন।

যৌথ নোবেলের অংশীদার হয়েও তাসলিমা বেগম আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে, আর ড. ইউনূস সেই যৌথ পুঁজি ভাঙিয়ে গড়েছেন নিজের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য।

নোবেলের মঞ্চে ‘ব্যবহার’, দেশে ফিরেই ‘বিতাড়ন’
২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর তাসলিমা বেগম যখন ড. ইউনূসের পাশে দাঁড়িয়ে নোবেল মেডেল ও সনদ গ্রহণ করেন, তখন তিনি ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষাধিক মালিকের প্রতিনিধি। নিয়ম অনুযায়ী, নোবেলের সম্মান ও অর্থের সমান অংশীদার ছিলেন এই নারীরা।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ড. ইউনূস সুকৌশলে তাসলিমাকে কেবল ওই মুহূর্তের জন্য ‘শো-পিস’ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। নোবেল হাতে পাওয়ার মাত্র কয়েকমাসের মধ্যে, ২০০৭ সালে এক গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাসলিমাকে গ্রামীণ ব্যাংকের পর্ষদ থেকে অপমানজনকভাবে বের করে দেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, যৌথ নোবেলের দাবিদার বা অংশীদার যেন কেউ থাকতে না পারে, সেই পথ পরিষ্কার করতেই ড. ইউনূস তাসলিমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানিয়েছিলেন।

যৌথ প্রাপ্তি, অথচ একতরফা ভোগদখল
নোবেল পুরস্কারের অর্থ এবং বিশ্বজোড়া সম্মান—সবই ছিল যৌথ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তাসলিমা বেগম বা গ্রামীণ ব্যাংকের সাধারণ সদস্যরা সেই সম্মানের কতটুকু পেয়েছেন?

তাসলিমা বেগম আজ রাজশাহীর পীরগাছা গ্রামে জীর্ণ কুঁড়েঘরে নিদারুণ অবহেলায় দিন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে, ড. ইউনূস সেই ‘যৌথ নোবেল’-এর ট্যাগ ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে বক্তৃতাবাজি ও নিজের ব্র্যান্ডিং করে চলেছেন। সমালোচকদের মতে, এটি কেবল অবহেলা নয়, বরং দরিদ্র নারীদের আবেগের সঙ্গে এক ধরনের ‘করপোরেট প্রতারণা’। তাসলিমাকে সরিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বুঝিয়ে দিয়েছেন, নোবেলটা আসলে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি, ব্যাংক বা এর সদস্যরা সেখানে কেবল নামমাত্র উপস্থিত ছিলেন।

মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কণ্ঠরোধ?
তাসলিমাকে সরানোর সময় তাঁর বিরুদ্ধে ঋণের শর্ত ভঙ্গের যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তাকে অনেকেই ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেন। যে নারী বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করলেন, তাকেই কেন তড়িঘড়ি করে ‘অপবাদ’ দিয়ে বিদায় করা হলো? এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল—নোবেলের আলো যাতে ভাগ করতে না হয়। তাসলিমাকে দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে ড. ইউনূস নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল জয়ের ইতিহাসে কেবল তাঁর নামই উচ্চারিত হবে।

ইতিহাস সাক্ষী, ২০০৬ সালের নোবেল ছিল দুই পক্ষের। কিন্তু ড. ইউনূসের কৌশলী চালে এক পক্ষ (তাসলিমা ও গ্রামীণ নারী সমাজ) আজ প্রতারিত ও বিস্মৃত। তাসলিমা বেগমের করুণ পরিণতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, ড. ইউনূসের তথাকথিত দারিদ্র্য বিমোচন নামক দর্শনের আড়ালে লুকিয়ে ছিল আত্মপ্রচার ও অংশীদারদের কৃতিত্ব মেরে খাওয়ার এক নির্মম সত্য লুকানোর কারবার।

#ইউনূসের_প্রতারণা
#তাসলিমার_বঞ্চনা
#নোবেল_কেলেঙ্কারি
#যৌথ_নোবেল প্রতারণা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 dailysomoyarbangladesh.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin