রংপুরে ৪ ভয়াবহ হত্যাকান্ডের নেপথ্যে পুলিশ
স্টাফ রিপোর্ট
গতকয়েক দিন আগে স্কুল শিক্ষক সহ ৪ জন কে হত্যা করে তাদের থেকে নারীদের কে দর্ষন করার হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিন্তু ডাঃ সুরতহাল প্রতিবেদন গড়িমসি করে সত্য চাপার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ আত্নীয়ের,গটনার সত্যতার নেপথ্যে পুলিশ
রংপুরের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখন আর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। প্রকৃত আসামিদের আড়াল করতে তড়িঘড়ি করে একটি কল্পকাহিনি দাঁড় করানো হয়েছিল। আর আজ তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি ও ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা স্পষ্ট। ঘটনাটির ভয়াবহতা ও নৃশংসতার ধরন কোনো সাধারণ অপরাধীর কাজের সঙ্গে মেলে না। গণপতি স্যারের স্ত্রী ও মেয়েকে ধর্ষণ, ১২ বছরের শিশুর যৌনাঙ্গ কেটে দেওয়া এবং পরিবারের সদস্যদের মুখমণ্ডল দাহ্য পদার্থ দিয়ে ঝলসে দেওয়ার মতো বর্বরতা একটি পরিকল্পিত, ঠান্ডা মাথার হত্যাকাণ্ডেরই ইঙ্গিত দেয়।
এটা নিছক হত্যাকাণ্ড নয়- এটি ধর্মীয় উগ্রবাদের ভয়ংকর ছাপ বহন করে। আর সেই উগ্রবাদীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ। এ বিষয় পুলিশ কমিশনার সংবাদ সম্মেলনে করার আয়োজন করেন পরবর্তীতে পুলিশ কমিশনার কান্নার নাটক সম্পর্কে সাংবাদিক জানতে চাইলে রংপুর জেলা পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ সাংবাদিকের প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে তরি গরি করে দ্রুত গতিতে স্হান ত্যাগ করেন। এ নিয়ে সাধারণ জনগণের মনে হাজারো প্রশ্ন তা হলে কি রংপুরের ৪ হত্যার সাথে পুলিশের আতাত আছে না কি অন্য কিছু? বিস্তারিত আসছে পরবর্তী সময়ে