বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ৬ জেলার চার হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ কুমিল্লা তিতাসে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ালেন সামাজিক সংগঠন ফ্রেন্ডস ক্লাব দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান আনন্দ উল্লাসে মুখরিত দেশ কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলায় রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় ২ সাংবাদিক গ্রেফতার। ক্ষমতা নিতে চায় নাই , সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু:… ড. কামাল কুমিল্লায় চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনে ১ দিনের সিপিআর প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান যে আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়ে ও প্রচারণা নেই এনসিপির আহবায়ক নাহিদের, ঝড়ে যাওয়ার দারপ্রান্তে গ্রামীণ ব্যাংকের ড, ইউনুসের সাথে যৌন নোবেল অংশীদারত্বের তাসলিমা এখন কোথায় কুমিল্লা -৬ আসনে মনোনয়ন মনিরুল হক চৌধুরী , আনন্দে মনিরুল হক সাক্কু কুষ্টিয়া জেলার, ভেড়ামারায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

রোটা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ব্রাহ্মণপাড়ায়, বেশি আক্রান্ত শিশুরা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৪৭৭ Time View

রোটা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ব্রাহ্মণপাড়ায়, বেশি আক্রান্ত শিশুরা
আতাউর রহমান।।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় রোটা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছে রোগীরা। চিকিৎসকদের দাবি, সরকারিভাবে এ ভাইরাসের টিকা প্রয়োগ না করায় প্রতি বছরই শীতকালে শিশুরা সহজেই এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, রোটা ভাইরাস আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা চিকিৎসাসেবা নিতে প্রতিদিন ভিড় করছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে। অবস্থার অবনতি হলে আবার অনেকে তাদের সন্তানদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করাচ্ছেন। ভর্তি রোগীদের আবার উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার আশায় কেউ কেউ পাড়ি জমাচ্ছেন চাঁদপুরের আইসিডিডিআরবিতে। তবে জানা যায় অধিকাংশ রোগীই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে কম সময়েই।

চিকিৎসকরা বলছেন, রোটাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে রেখেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সম্ভব। ডায়রিয়ার প্রধান ওষুধ ওরস্যালাইন। পাতলা পায়খানাজনিত পানিশূন্যতা পূরণে ওরস্যালাইন প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে যদি রোগীর অধিক পরিমাণে বমি হতে থাকে সেক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। অন্যথায় বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হাসনাত মোঃ মহিউদ্দিন মুবিন বলেন, ‘শীতকালে রোটাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতি বছরই কমবেশি দেখা দেয়। এ ভাইরাসের কারণে অধিকাংশ শিশু ডায়রিয়া, বমি ও শ্বাসকষ্টে ভোগে। এ রকম পরিস্থিতিতে অবশ্যই ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীকে খাওয়ার স্যালাইন পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়াতে হবে। যদি রোগী অতিরিক্ত বমি করে তখন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। যেসব শিশু আক্রান্ত হয়নি সেসব শিশুকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শীতের আমেজ বইছে, শিশুদের গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 dailysomoyarbangladesh.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin