সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব প্রতিবন্ধী দেলোয়ারের পরিবার সরকারের সহায়তা চেয়ে আকুতি আয়নাঘরে নয়, আট বছর আত্মগোপনে থেকে রাষ্ট্রের সাথে নাটক করেছেন ব্যারিস্টার আরমান’—ট্রাইব্যুনালে দাবি আসামিপক্ষের জুলাই ২৪’ হত্যাকাণ্ড:মেটিকোলাস ডিজাইনে স্নাইপার ব্যবহার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগ আড়াল করতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা কুমিল্লা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ৬ জেলার চার হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ কুমিল্লা তিতাসে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ালেন সামাজিক সংগঠন ফ্রেন্ডস ক্লাব দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান আনন্দ উল্লাসে মুখরিত দেশ কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলায় রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় ২ সাংবাদিক গ্রেফতার। ক্ষমতা নিতে চায় নাই , সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু:… ড. কামাল কুমিল্লায় চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনে ১ দিনের সিপিআর প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান

ঘুরে এলাম শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল কোল্লাপাথর

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৬৯৩ Time View

ঘুরে এলাম শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল কোল্লাপাথর

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার,
কোল্লাপাথর থেকে ফিরে এসে।

আমি ও মেডিকেয়ার জেনারেল হসপিটালের এমডি সাব্বির আহমেদ ২১ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিঃ ঘুরতে গিয়েছিলাম একটি শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থলে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলাধীন পেট্রোবাংলার নিকটবর্তী ভারতীয় সীমান্তে সবুজে সমারোহে পরিবেষ্টিত কয়েকজন বীরপ্রতীক, বীরউত্তম, বীরবিক্রমসহ ৫০ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল কোল্লাপাথরে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কসবা, সালদা নদীসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের এখানে দাফন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রাণ গেছে লক্ষ লক্ষ শহীদের। কারও অবদান রয়ে গেছে আর কারও ইতিহাসে রয়ে গেছে অজানা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শহীদদের অবদান চিরজীবন স্মরণের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে শহীদ সমাধি। তেমনি এক নাম কোল্লাপাথর শহীদ সমাধি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে প্রায় ২৫ কিঃমিঃ দক্ষিণে কসবা উপজেলা। কসবা থেকে ১০ কিঃমিঃ দক্ষিণে ভারতের সীমান্তবর্তী বায়েক ইউনিয়নের কোল্লাপাথর গ্রাম। এই গ্রামেই সমাহিত করা হয়েছে সেই বীর শহীদদের। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সীমান্ত এলাকায় প্রাণ হারান অনেকেই। তাদের লাশ সংগ্রহ করে স্থানীয়দের উদ্যোগে এবং সহায়তায় একই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মালিকানাধীন টিলায় ৫০ জন বীরকে সমাহিত করা হয়।

এই সমাধিস্থলে রয়েছে নায়েক সুবেদার মইনুল ইসলামের কবর। তার নামেই ঢাকা সেনানিবাস এলাকার অতি পরিচিত ‘মইনুল রোড’ নামকরণ করা হয়েছে। এ সমাধিতে ৫০ জনের মধ্যে ৪৭ জনের পরিচয় মিলেছে। অন্য তিনজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।এদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর উত্তম ৩ জন, বীর বিক্রম ১ জন, বীর প্রতীক ২ জন রয়েছেন।

কোল্লাপাথরের টিলায় প্রতিটি কবরই ইট দিয়ে বাঁধানো এবং প্রতিটিরই নামফলক রয়েছে। প্রতিটি কবরই সারিবদ্ধভাবে সাজানো। কোল্লাপাথরের মূল আকর্ষণ হলো এই সমাধি, আশেপাশের পাহাড় ঘেরা সীমান্ত এলাকা এবং উচুনিচু পাহাড়ি রাস্তা। আছে সুন্দর ঘাট বাঁধানো পুকুর এবং তার সাথেই গেস্টহাউজ। গেস্ট হাউজের ভেতরেই আছে বিশ্রাম নেয়ার সুব্যবস্থা। তাছাড়া প্রবেশদ্বারের সাথেই আছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সম্বলিত ছবি।

প্রতিদিন দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে লোকজন আসে এই এলাকায় ঘুরতে। গেস্টহাউজের পাশেই সাইনবোর্ড দেখা যায় প্রস্তাবিত শেখ রাসেল পার্কের। পাহাড় চড়ে ঘুরে আসা যায় বাংলাদেশের শেষ সীমানার পিলার পর্যন্ত। পিলারের কাছে দাঁড়ালেই দেখা যায় ওপারের বিএসএফের চেকপোস্ট এবং সীমানা ঘেরা বেড়া। এই পাহাড়েই বাস করেন সুরুজ মিঞা।তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নানা ঘটনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 dailysomoyarbangladesh.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin