রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা ৪ এমপি নজরুলের ২য় স্রীর মরদেহ উদ্ধার মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বেরিয়ে আর এলো না ফিরে চৌদ্দগ্রামে ওয়াইফাই ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু মাদকের মেলায় আসক্ত চৌদ্দগ্রামের যুব সমাজ, মাদক কারবারি মানিক মিয়া পুলিশের অভিযানে ও গ্রেফতার হয়নি। দেশ কে বাঁচান দেশ এখন পাকিস্তানি দখলে চলে যাচ্ছে.. সাখাওয়াত হোসেন রংপুরে ৪ হত্যাকান্ডে নেপথ্যে পুলিশ চৌদ্দগ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব প্রতিবন্ধী দেলোয়ারের পরিবার সরকারের সহায়তা চেয়ে আকুতি আয়নাঘরে নয়, আট বছর আত্মগোপনে থেকে রাষ্ট্রের সাথে নাটক করেছেন ব্যারিস্টার আরমান’—ট্রাইব্যুনালে দাবি আসামিপক্ষের জুলাই ২৪’ হত্যাকাণ্ড:মেটিকোলাস ডিজাইনে স্নাইপার ব্যবহার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগ আড়াল করতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

লিবিয়া মরুর সিংহ পরুষের শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৭০ Time View

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর। লিবিয়ার ওমর আল মুখতার। যাকে বলা হতো মরুর সিংহ। আজ তাঁর শাহদাত বার্ষিকী।

তিতাস প্রতিনিধিঃ
এখন থেকে ৮৭ বছর আগে ১৯৩১ সালে তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে ইতালীয়রা।

১৯১১ সালের অক্টোবর মাসে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সঙ্গে ইতালির যুদ্ধের সময় ইতালির নৌবাহিনী হানা দেয় লিবিয়ার উপকূলে। সে সময় লিবিয়া ছিল উসমানীয় সাম্রাজ্যের অংশ। ইতালিয়রা লিবিয়াকে আত্মসমর্পণ করতে বলে। কিন্তু তুর্কি সেনারা ও তাদের লিবিয় সহযোগীরা আত্মসমর্পণের পরিবর্তে উপকূল ছেড়ে পেছনের দিকে সরে আসেন।

ইতালিয় হানাদার বাহিনী তিন দিন ধরে ত্রিপলি ও বেনগাজিতে বোমা বর্ষণ করে। এরপর লিবিয়া দখলে নিয়ে নেয়।

লিবিয়ার সাইরেনাইকা অঞ্চলের জনগণ ওমর মুখতারের নেতৃত্বে একের পর এক প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন। মরুভূমির লড়াইয়ে অভিজ্ঞ ওমর মুখতার হয়ে ওঠেন ইতালিয় সেনাদের জন্য চক্ষুশূল। অবশেষে ২০ বছর পর ১৯৩১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এক অতর্কিত হামলায় আহত ও বন্দি হন মুখতার। ৫ দিন পর আতঙ্কগ্রস্ত ইতালিয় দখলদাররা তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে শহীদ করে।

ঐতিহাসিক বর্ণনা থেকে জানা যায় মরুর সিংহ নামে খ্যাত ওমর মুখতারকে মুসোলিনির ইটালিয়ান সেনা অফিসার জিজ্ঞেস করেছিল: তুমি কি জান তোমার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড?

জবাবে ওমর মুখতার বলেছিলেন, হ্যাঁ।

ওই অফিসার বললেন, তুমি যা করেছ তার জন্য তুমি কী অনুতপ্ত?

ওমর মুখতার বললেন, প্রশ্নই হয় না, আমি আমার ধর্ম, দেশ আর মানুষের জন্য লড়েছি।

সেনা আদালতের বিচারক তার দিকে তাকিয়ে বলে, তোমার মত লোকের এমন পরিণতি দেখে আমি দুঃখিত।

ওমর মুখতার বললেন, “কিন্তু এটাই তো জীবন শেষ করার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ তিনি আমাকে এভাবে বীরের মত শহীদ হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।”

এরপর বিচারক প্রস্তাব দিল তাকে মুক্ত করে দেয়া হবে যদি তিনি মুজাহিদদের কাছে চিঠি লেখেন যাতে মুজাহিদরা ইটালিয়ানদের সাথে যুদ্ধ বন্ধ করে। ওমর মুখতার বিচারকের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন:

“যেই শাহাদত অঙ্গুলি দিয়ে আমি প্রতিদিন সাক্ষ্য দেই যে এক আল্লাহ ছাড়া আর কোন মাবুদ নাই। সেই আঙ্গুল দিয়ে অসত্য কোনো কথা লিখতে পারবো না। আমরা এক আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে আত্মসমর্পণ করি না। আমরা হয় জিতি, না হয় মরি।”

মহান আল্লাহ তায়ালা বীরশহীদ ওমর আল মুখতারকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে স্থান করে দিন, আমীন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 dailysomoyarbangladesh.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin